Strategic Plan (SP)

কর অঞ্চল – ৫, ঢাকা

এর

Strategic Plan

(কৌশলগত পরিকল্পনা)

 

০১. রূপকল্প (Vision) :

সর্বোচ্চ কর্মদক্ষতার মাধ্যমে আধুনিক ও টেকসই কর ব্যবস্থাপনা।

 

০২. অভিলক্ষ্য (Mission) :

দক্ষ, টেকসই এবং আধুনিক কর ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের আয়কর নীতি এবং বাজেট লক্ষ্যমাত্রা অনুসরণপূর্বক একটি করদাতাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলা ও এর মাধ্যমে রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি করা।

 

০৩. কৌশলগত উদ্দেশ্যাবলী (Strategic Objectives) :

১. রাজস্ব আহরন বৃদ্ধিকরণ;

২. করদাতাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতকরণ;

৩. আয়কর ফাঁকি উদঘাটন এবং

৪. নতুন করদাতা চিহ্নিতকরণ।

 

০৪. কার্যাবলীসমূহ (Functions) :

 

কৌশলগত উদ্দেশ্য কার্যক্রম কোন দায়িত্ব কে পালন করবেন কোন সময়ের মধ্যে দায়িত্ব সম্পাদন করবেন কর্মসম্পাদিত হওয়ায় সূচকসমূহ কি কি হবে
১। রাজস্ব আহরন বৃদ্ধিকরণ ক) দ্রুত মামলা নিষ্পত্তি ও দাবী সৃষ্টি সার্কেল কর্মকর্তা দ্রুততার সাথে মাসিক রিটার্ণ
খ) উৎসে কর কর্তন মনিটরিং জোরদার উৎস কর মনিটরিং কমিটি প্রতি মাসের ৭ তারিখের মধ্যে কমিটি কর্তৃক দাখিলকৃত মাসিক প্রতিবেদন
গ) অগ্রিম আয়কর আদায় সার্কেল কর্মকর্তা সেপ্টেম্বর, ডিসেম্বর, মার্চ ও জুনের ১৫ তারিখ মাসিক আদায় প্রতিবেদন
ঘ) বকেয়া আয়কর আদায় সার্কেল কর্মকর্তা নিয়মিতভাবে মাসিক আদায় প্রতিবেদন
ঙ) ৭৪ ধারা অনুযায়ী রিটার্নের ভিত্তিতে কর আদায় সার্কেল কর্মকর্তা রিটার্ন দাখিলের জন্য নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রিটার্ন রেজিষ্টার
চ) যথাসময়ে আপীল, ট্রাইবুনাল ও হাইকোট হতে প্রাপ্ত নির্দেশনা বাস্তবায়ন সার্কেল কর্মকর্তা দ্রুততার সাথে মাসিক কর নির্ধারণী রেজিষ্টার
ছ) ADR এর মাধ্যমে মামলা নিষ্পত্তি কার্যক্রম জোরদারকরণ কর অঞ্চলের দায়িত্বপ্রাপ্ত অউজ কর্মকর্তা দ্রুততার সাথে অউজ মামলা নিষ্পত্তি প্রতিবেদন
২। করদাতা বান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতকরণ ক) প্রশাসনিক কাজে গতিশীলতা আনয়ন প্রত্যেক অফিস প্রধান নিয়মিতভাবে মামলা নিষ্পত্তি, দাবী সৃষ্টি ও আদায়
খ) কর্মকর্তা কর্মচারীদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ রেঞ্জ কর্মকর্তা ও উপ কর কমিশনারগণ নিয়মিতভাবে প্রশিক্ষণ কর্মসূচী পরিপালন
গ) সিটিজেন চার্টারে বর্ণিত সেবাসমূহ যথাসময়ে প্রদান সার্কেল কর্মকর্তা দ্রুততার সাথে সার্কেলের রেকর্ড যাচাই
ঘ) Stakeholder দের সঙ্গে রাজস্ব বিষয়ক মত বিনিময় (Revenue Dialogue) কর কমিশনার নিয়মিতভাবে মত বিনিময় সভার কর্মসূচী পরিপালন
৩। আয়কর ফাঁকি উদঘাটন ক) সার্কেল অফিস পরিদর্শন কর কমিশনার ও রেঞ্জ কর্মকর্তাগণ নিয়মিতভাবে পরিদর্শন প্রতিবেদন
খ) কর ফাকিঁর মামলা পুণঃ উন্মোচন সার্কেল কর্মকর্তা নিয়মিতভাবে পূণঃ উন্মোচন রেজিষ্টার যাচাই
গ) স্থানীয় ও রাজস্ব অডিট আপত্তিসমূহ দ্রুত নিষ্পত্তি সার্কেল কর্মকর্তা দ্রুততার সাথে পরিপালন পরিসংখ্যান
৪। নতুন করদাতা চিহ্নিতকরণ ক) অভ্যন্তরীন ও বহিরাঙ্গন জরীপ পরিচালনা জরীপ কমিটি জরীপ ক্যালেন্ডার অনুযায়ী জরীপ প্রতিবেদন
খ) করদাতা উদ্বুদ্ধকরণ সকল কর্মকর্তা নিয়মিতভাবে করদাতার সংখ্যা বৃদ্ধি

 

 

০৫. কার্যাবলীসমূহ সম্পাদনের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনাসমূহ

 

↳ ৫.. রাজস্ব আহরন বৃদ্ধিকরণ

 

) দ্রুত মামলা নিষ্পত্তি দাবী সৃষ্টিঃ

  • রাজস্ব সম্ভাবনাময় চলতি মামলাসমূহ দ্রুত নিষ্পত্তি ও সৃষ্ট দাবী আদায়ে সকল আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ।
  • ২০১৩-২০১৪ ও ২০১৪-২০১৫ করবর্ষে নিরীক্ষাধীন মামলাসমূহ দ্রুত নিষ্পত্তি ও সৃষ্ট দাবী আদায়ে সকল আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ।
  • নিবিড় পরিদর্শনাধীন মামলাসমূহের ক্ষেত্রে প্রদত্ত নির্দেশনাসমূহ দ্রুত পরিপালনপূর্বক মামলাসমূহ নিস্পত্তি।

 

) উৎসে কর কর্তন মনিটরিং জোরদারঃ

  • বিজ্ঞাপন বিলের (৫৩কে) উপর উৎসে কর কর্তন মনিটরিং বিষয়ে পরিদর্শী যুগ্ম কর কমিশনার, পরিদর্শী রেঞ্জ-৩-কে প্রধান করে গঠিত কমিটির মাধ্যমে নিবিড় তদারকি।
  • উপকর কমিশনার, সদর দপ্তর (প্রায়োগিক)কে প্রধান করে গঠিত কমিটির মাধ্যমে জমি, ফ্ল্যাট/বিল্ডিং রেজিস্ট্রেশন পর্যায়ে ৫৩এফএফ ধারায় উৎসে কর কর্তনের বিষয়টি নিবিড় তদারকি।
  • নৌযানের অনুমিত আয়কর কর সার্কেল- ৯৫ এর উপকর কমিশনার ও উক্ত সার্কেলের কর পরিদর্শক কর্তৃক নিবিড় তদারকি।
  • উৎস কর কর্তনকারী কর্তৃপক্ষের তালিকা প্রণয়ন, কার্যাবলী মনিটরিং এবং উৎসে কর্তিত কর সরকারী কোষাগারে জমাদান নিশ্চিতকরণের মাধমে রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি।
  • জাতীয় দৈনিকসমূহে উৎসে আয়কর কর্তন ও সঠিক কোডে জমা বিষয়ক বিজ্ঞপ্তি প্রচার।
  • হিসাব রক্ষন অফিসের সাথে যোগাযোগের মাধ্যমে উৎসে কর্তিত করের সঠিক পরিমাণ যাচাই করণ

 

) অগ্রিম আয়কর আদায়ঃ

  • অগ্রীম আয়কর প্রযোজ্য এমন করদাতাদের তালিকা প্রস্তুত ও চার কিস্তিতে অগ্রিম আয়কর প্রদান বিষয়ে করদাতাকে উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি।
  • জাতীয় দৈনিকসমূহে অগ্রিম আয়কর প্রদান বিষয়ক বিজ্ঞপ্তি প্রচার।

 

) বকেয়া আয়কর আদায় :

  • বৃহৎ অংকের বকেয়া কর সংশ্লিষ্ট করদাতাদের তালিকা প্রণয়নপূর্বক আদায়ের জন্য সকল আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ।

 

) ৭৪ ধারা অনুযায়ী রিটার্নের ভিত্তিতে কর আদায়ঃ

  • সার্কেল কর্মকর্তা কর্তৃক রিটার্ন দাখিলে ব্যর্থ করদাতাদের ক্ষেত্রে ১২৪ ধারা অনুযায়ী এবং রিটার্নের ভিত্তিতে কর পরিশোধে ব্যর্থ করদাতাদের ক্ষেত্রে ১২৭ ধারা অনুযায়ী জরিমানা আরোপের কার্যক্রম গ্রহণ।
  • কর কমিশনার কর্তৃক যথাসময়ে রিটার্ন দাখিলে করদাতাগণকে উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে জাতীয় দৈনিক সমূহে বিজ্ঞপ্তি প্রচার।

 

) যথাসময়ে আপীল, ট্রাইবুনাল হাইকোট হতে প্রাপ্ত নির্দেশনা বাস্তবায়নঃ

  • প্রাপ্ত আপিল ও ট্রাইবুনাল আদেশের প্রেক্ষিতে মামলাসমূহ দ্রুত সংশোধন করে সৃষ্ট দাবী আদায়।
  • আপিল ও ট্রাইবুনাল আদেশের প্রেক্ষিতে রাজস্ব ক্ষতি সংগঠিত হলে যথাসময়ে দ্বিতীয় আপীল ও হাইকোর্টে রেফারেন্স দায়ের।
  • উচ্চতর আদালতে বিচারাধীন মামলাসমূহের হালনাগাদ তালিকা প্রস্তুত করতঃ যেসব মামলার  গবৎরঃ সরকারের পক্ষে সেসব মামলার বিষয়ে সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে এটর্নী জেনারেল অফিসের সাথে যোগাযোগ করে মামলা নিষ্পত্তির উদ্যোগ গ্রহণ।

 

) ADR এর মাধ্যমে মামলা নিষ্পত্তির কার্যক্রম জোরদারকরণঃ

  • মামলার দীর্ঘসুত্রিতা পরিহার করে কর আদায় বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভাগীয়, আপীলাধীন ও উচ্চতর আদালতে বিচারাধীন মামলাসমূহের ক্ষেত্রে ডরহ ডরহ মনোভাব নিয়ে অউজ এর মাধ্যমে সেগুলো নিষ্পত্তির বিষয়ে করদাতাদের সাথে আলোচনার উদ্যোগ গ্রহণ।

 

↳ .. করদাতাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতকরণঃ

 

) প্রশাসনিক কাজে গতিশীলতা আনয়নঃ

  • কর কমিশনার এবং পরিদর্শী রেঞ্জ কর্মকর্তাগণ কর্তৃক সার্কেল মনিটরিং কার্যক্রম জোরদারকরণের মাধ্যমে সার্কেলের প্রশাসনিক কর্মকান্ডে গতিশীলতা আনয়ন।
  • কর্মকর্তা/ কর্মচারীদের মধ্যে শুদ্ধাচার ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করণের লক্ষ্যে Zero Tolerance নীতির ভিত্তিতে উদ্বুদ্ধকরণ ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ।

 

) কর্মকর্তা কর্মচারীদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণঃ

  • কর্মকর্তা/কর্মচারীদের আয়কর আইন ও বিধি সম্পর্কিত সর্বশেষ তথ্য জ্ঞাত করা ও প্রশিক্ষণ ক্যালেন্ডার অনুযায়ী কর্মসূচী বাস্তবায়ন।

 

) সিটিজেন চার্টারে বর্ণিত সেবাসমূহ যথাসময়ে প্রদানঃ

  • আয়কর সনদপত্র, না দাবী পত্র, কর নির্ধারণী আদেশ, সার্টিফাইট কপি, রিটার্ণ গ্রহণের প্রাপ্তি স্বীকার পত্র ইত্যাদী যথাসময়ে করদাতাকে সরবরাহ করা।
  • আলোচনার মাধ্যমে করদাতাদের সমস্যা চিহ্নিতকরণ এবং দ্রুত সমাধান নিশ্চিত করা।

 

) Stakeholder দের সঙ্গে রাজস্ব বিষয়ক মত বিনিময় (Revenue Dialogue):

  • রাজস্ব সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন খাতের করদাতা এবং Stakeholder দের সঙ্গে রাজস্ব বিষয়ক মত বিনিময় (Revenue Dialogue) সভার আয়োজন করা।

 

↳ .. আয়কর ফাঁকি উদঘাটনঃ

 

) সার্কেল অফিস পরিদর্শনঃ

  • কর কমিশনার এবং পরিদর্শী রেঞ্জ কর্মকর্তাগণ কর্তৃক সার্কেল অফিসসমূহ পরিদর্শন ও মনিটরিং কার্যক্রমজোরদারকরণের মাধ্যমে কর ফাঁকি উদঘাটন।

 

) কর ফাঁকির মামলা পুণঃ উন্মোচন :

  • আয়কর নথির রেকর্ডসমূহ ও বিভিন্ন সুত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য পর্যালোচনাপূর্বক কর ফাঁকির মামলা পূণঃ উন্মোচন করতঃ দ্রুত কর মামলা নিষ্পত্তি ও সৃষ্ট দাবী আদায়ে সকল আইনী পদক্ষেপ গ্রহণ।

 

) স্থানীয় রাজস্ব অডিট আপত্তিসমূহ দ্রুত নিষ্পত্তিঃ

  • আয়কর আইনের বিধানমোতাবেক স্থানীয় ও রাজস্ব অডিট আপত্তিসমূহ পর্যালোচনা করা এবং প্রযোজ্যতা অনুসারে মামলাসমূহ পুণঃ উন্মোচন ও নিষ্পত্তিপূর্বক ফাঁকিকৃত রাজস্ব আদায়ে সকল আইনী পদক্ষেপ গ্রহণ।

 

↳ .. নতুন করদাতা চিহ্নিতকরণঃ

 

) অভ্যন্তরীন বহিরাঙ্গন জরীপ পরিচালনাঃ

  • কর অঞ্চলের অধিক্ষেত্রাধীন গ্রোথ সেন্টার, আবাসিক ও বানিজ্যিক এলাকায় জরীপ কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে করের আওতা সম্প্রসারণ ও নতুন করদাতা চিহ্নিতকরণ।

 

) করদাতা উদ্বুদ্ধকরণঃ

  • ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় কর সংক্রান্ত বিজ্ঞাপন প্রচার এবং লিফলেট ও সিটিজেন চার্টার বিতরনের মাধ্যমে করদাতা উদ্বুদ্ধকরণ।

 

০৬. কর অঞ্চল, ঢাকার SWOT Analysis

 

↳ ৬. Strengths (সক্ষমতা) :

  • আবাসন খাত আমাদের অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ খাত। ঢাকা সিভিল জেলায় প্রধান কার্যালয় অবস্থিত এরুপ সকল রিয়েল এস্টেট ব্যবসায় জড়িত কোম্পানী ও পরিচালকবৃন্দের আয়কর নথি এ কর অঞ্চলের অধিক্ষেত্রাধীন। উক্ত মামলাসমূহ নিবিড় তত্ত্বাবধানের মাধ্যমে রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি সম্ভব।
  • আমাদের দেশের অর্থনীতিতে এনজিও সমূহের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। ঢাকা সিভিল জেলায় প্রধান কার্যালয় অবস্থিত এরুপ সকল এনজিও সমূহের আয়কর নথি এ কর অঞ্চলের অধিক্ষেত্রাধীন। উক্ত মামলাসমূহ নিবিড় তত্ত্বাবধানের মাধ্যমে রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি সম্ভব।

 

↳ ৬. Weaknesses (দুর্বলতা) :

  • রিয়েল এস্টেট ব্যবসায় বর্তমানে মন্দা (Recession) বিরাজমান থাকায় এবং সম্পত্তি ক্রয় বিক্রয় নিম্নগতি হওয়ায় উক্ত খাত হতে রাজস্ব আদায়ে নিম্নগতি পরিলক্ষিত হচ্ছে।
  • এনজিও সমূহের অপারেশনাল আয় (মূল আয়) আয়করমুক্ত। হাইকোর্টের আদেশ অনুযায়ী এবং এসআরও এর নির্দেশনামোতাবেক এনজিও সমূহের নন-অপারেশনাল আয় (অন্যান্য আয়) কে কর অব্যাহতি প্রাপ্ত হিসাবে বিবেচনা করার নির্দেশনা বৃদ্ধি পাওয়ায় এই খাতে রাজস্ব আদায়ে নিম্নগতি পরিলক্ষিত হচ্ছে।
  • কর অঞ্চলের মোট অনুমোদিত পদের সংখ্যা ২৮৬ জন। এর মধ্যে কর্মরত আছে ২১২ জন। বিশেষ করে কর পরিদর্শকের ৩০টি অনুমোদিত পদের বিপরীতে কর্মরত আছে ০৭ জন। এর ফলে জরীপ, উৎসে কর কর্তন মনিটরিংসহ সার্বিক আদায় কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে।

 

↳ ৬. Opportunities (সম্ভাবনা) :

  • বিজ্ঞাপন বিলের উপর (৫৩কে) ধারায় উৎসে কর কর্তনের অধিক্ষেত্র এই কর অঞ্চলের আওতাধীন। বর্তমানে পণ্যের প্রসারের জন্য বিজ্ঞাপনের বাজার সম্প্রসারিত হচ্ছে। এর ফলে এ খাত হতে রাজস্ব আদায় বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে।
  • অর্থ আইন ২০১৫ এর মাধ্যমে বিজ্ঞাপন বিলের বিপরীতে উৎসে কর কর্তনের হার ৩% হতে ৪% এ উন্নীতকরণে রাজস্ব আদায় বৃদ্ধির সহায়ক হয়েছে।
  • নতুন করদাতা বৃদ্ধির প্রচেষ্টা জোরদার করায় Tax Base বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা আছে।

 

↳ ৬. Threats (চ্যালেঞ্জ ঝুঁকিসমূহ) :

  • রিয়েল এস্টেট ব্যবসায় জড়িত কোম্পানী এবং এনজিও এর কর্মকান্ড দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতির সাথে সম্পর্কযুক্ত।
  • আমাদের সমষ্টিক অর্থনীতির সূচক বিবেচনায় আবাসন খাতের ব্যবসায় চরম মন্দাভাব বিরাজমান। ফলে এ কর অঞ্চলের উৎসে কর আহরণের সর্ববহৎ খাত ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।
  • দেশের অর্থনীতিতে এনজিও সমূহের গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা থাকা সত্বেও কর অব্যাহতি প্রাপ্তির সুবিধা ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাওয়ায় রাজস্ব আদায় ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে এবং উচ্চ আদালতের রায় রাজস্ব অনুকুলে না হওয়ায় ঝুঁকি বাড়ছে।